বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বপ্ন ছিল নারী ও কৃষকদের স্বনির্ভর করে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা—এ মন্তব্য করেছেন পঞ্চগড়-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়া ও শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের উন্নয়নে সুপরিকল্পিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে বোদা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে সাকোয়া ইউনিয়নের নয়াদীঘী বাজারে খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে খালেদা জিয়া নারীদের এইচএসসি পর্যন্ত বিনা বেতনে শিক্ষার সুযোগ এবং কৃষিখাতে ভর্তুকি চালু করেন। তিনি আরও জানান, তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড, কৃষক কার্ড, বেকার ভাতা, কারিগরি ও ভাষা শিক্ষা সম্প্রসারণসহ অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছেন, যা বিএনপি সরকার গঠন করলে বাস্তবায়ন করা হবে।
বোদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক রায়হানুল প্রধান রিয়েলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ। দোয়া মাহফিল শেষে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
রাজশাহীতে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় বিএনপি জেলা ও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনু বেগম জিয়াকে উদ্দীপ্ত নক্ষত্র হিসেবে আখ্যায়িত করে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, “বেগম জিয়া জনগণের মুর্ত প্রতিক। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে তিনি আপোসহীন নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর রেখে যাওয়া দল আগামীতেও দেশের কল্যাণে কাজ করবে।” মিনু তরুণদের উদ্দেশে বলেন, “বঙ্গবন্ধু ও শহীদ জিয়াউর রহমানের পথ অনুসরণ করে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি দেশের জন্য কাজ করে যাবে।” সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীর বিভিন্ন সংসদ সদস্য প্রার্থী, জেলা বিএনপি ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক ও অন্যান্য নেতাকর্মী। সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী সদর আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবু সাইদ চাঁদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মেজর জেনারেল শরিফ উদ্দিন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, অ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহিন শওকত, অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলনসহ অনেকে। অনুষ্ঠান শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয় এবং তার জীবনী ও রাজনৈতিক অবদানের আলোকে ভবিষ্যতে দলের কাজে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহার ও জালিয়াতির অভিযোগ তুলে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) শহরের আশেক মাহমুদ কলেজ প্রাঙ্গণে সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহারসহ নানা অনিয়ম হয়েছে, যা স্বচ্ছ ও ন্যায্য নিয়োগ প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তারা দ্রুত পরীক্ষা বাতিল করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানান। এছাড়া ভবিষ্যতে প্রতিটি কেন্দ্রে ডিভাইস চেকার ও নেটওয়ার্ক জ্যামার স্থাপন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য স্বতন্ত্র বোর্ড গঠন এবং প্রশ্নফাঁস বা অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি তোলা হয়। মানববন্ধনে ওমর ফারুক বলেন, ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগ অত্যন্ত দুঃখজনক। ন্যায্যতা না পেলে কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন পরীক্ষার্থীরা। শামসুদ্দিন সুলাইমান বলেন, দ্রুত পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা না নিলে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে। মানববন্ধন শেষে একটি মিছিল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী আহসানের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন আন্দোলনকারীরা।
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান (বিদ্যালয়) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোকাররম হোসেন শোকরানা। জেলার ১৩টি উপজেলার মধ্যে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। এ নিয়ে তিনি চতুর্থবার জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শামছুন নাহার মাকছুদা। মোকাররম হোসেন শোকরানা ২০১২ সালের ৫ মে আজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তার দায়িত্বকালীন সময়ে বিদ্যালয়টি শিক্ষা, ক্রীড়া ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করে। তিনি পাঁচবার কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে ২০১৮, ২০২৩ ও ২০২৪ সালেও জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হিসেবে স্বীকৃতি পান তিনি।