বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বপ্ন ছিল নারী ও কৃষকদের স্বনির্ভর করে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা—এ মন্তব্য করেছেন পঞ্চগড়-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়া ও শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের উন্নয়নে সুপরিকল্পিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে বোদা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে সাকোয়া ইউনিয়নের নয়াদীঘী বাজারে খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে খালেদা জিয়া নারীদের এইচএসসি পর্যন্ত বিনা বেতনে শিক্ষার সুযোগ এবং কৃষিখাতে ভর্তুকি চালু করেন। তিনি আরও জানান, তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড, কৃষক কার্ড, বেকার ভাতা, কারিগরি ও ভাষা শিক্ষা সম্প্রসারণসহ অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছেন, যা বিএনপি সরকার গঠন করলে বাস্তবায়ন করা হবে।
বোদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক রায়হানুল প্রধান রিয়েলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ। দোয়া মাহফিল শেষে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে একটি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি সরবরাহকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) শ্যামনগর ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার বিল্লাল হোসেন সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, মৌতলা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শহিদুর নবী বাবু ও তার অনুসারীরা পাম্পে গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন এবং মালিকসহ কর্মীদের হত্যার হুমকি দেন। তিনি জানান, উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট ইউনিয়নের জন্য জ্বালানি সরবরাহ চলছিল। এ সময় নির্দেশনা উপেক্ষা করে অন্য এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক মোটরসাইকেল পাম্পে ভিড় করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। অভিযোগে বলা হয়, একপর্যায়ে ওই নেতা ও তার লোকজন পাম্পে ঢুকে ভয়ভীতি দেখান এবং তেলবাহী যানবাহনে অগ্নিসংযোগের হুমকিও দেন। ঘটনার পর থেকে পাম্পের মালিক ও কর্মচারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করা হয়। পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে পাম্প বন্ধ রাখার কথাও জানানো হয়েছে। অভিযুক্ত শহিদুর নবী বাবুর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের চায়না মোড় এলাকায় চিহ্নিত মাদককারবারি ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে শত শত মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, আকাশ, রনি, আলামিন, সজিব মুন্সী, আবু, শরীফ ও হীরাগংসহ কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। তারা জানান, মাদক কারবারে বাধা দেওয়ায় সম্প্রতি এলাকায় একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে। গত ১৪ এপ্রিল রাতে রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় একটি বাড়িতে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয় এবং কয়েকজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়। আহতদের মধ্যে দুইজন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। মানববন্ধনে আরও দাবি করা হয়, পরে ১৭ এপ্রিল রাতেও হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, চায়না মোড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক বেচাকেনা চলছে এবং তারা দ্রুত অভিযান চালিয়ে এসব চক্রকে গ্রেফতারের দাবি জানান। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি দেওয়া হবে।
বৈশ্বিক জনসংযোগ খাতে কার্যক্রম সম্প্রসারণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে টাইমস পিআর (www.timespr.com), যা আন্তর্জাতিক বাজারে ব্র্যান্ড উপস্থিতি জোরদারে সমন্বিত পিআর সেবা প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন এই সম্প্রসারণের আওতায় আন্তর্জাতিক প্রেস রিলিজ বিতরণ, কর্পোরেট কমিউনিকেশন, ব্র্যান্ড ও প্রোডাক্ট লঞ্চ, পার্সনাল ব্র্যান্ডিং এবং ব্যবসায়িক আপডেটসহ পূর্ণাঙ্গ জনসংযোগ সেবা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি এসইও অপটিমাইজেশন, কনটেন্ট পরিকল্পনা এবং মাল্টিমিডিয়া ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে ডিজিটাল পিআর কার্যক্রমও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২০০১-এর দশকের শুরুতে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর পর প্রতিষ্ঠানটি ধাপে ধাপে আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারিত হয়ে বর্তমানে একাধিক দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভৌগোলিক সীমারেখা অতিক্রম করে বিভিন্ন দেশের মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ক্লায়েন্টদের সংবাদ প্রচার আরও সহজতর হবে। প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, এই সম্প্রসারণের ফলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কাস্টমাইজড কমিউনিকেশন কৌশল বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ব্র্যান্ডগুলোকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করা সম্ভব হবে।