নীলফামারী-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন বলেছেন, নীলফামারীকে আধুনিক ও রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চান তিনি। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ভোটারদের সমর্থন প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে শহরের শাহীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ধানের শীষের পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটারদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং ধানের শীষে ভোট দিতে হবে।
জেলা যুবদলের সহসভাপতি রবিউল আল সরকার রব্বুর সভাপতিত্বে সভায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক ও সদস্য সচিব এএইচএম সাইফুল্লাহ রুবেল বক্তব্য দেন।
পথসভা সঞ্চালনা করেন পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক লুৎফুল আলম চৌধুরী শুভ। স্থানীয় নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
নীলফামারী-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন বলেছেন, নীলফামারীকে আধুনিক ও রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চান তিনি। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ভোটারদের সমর্থন প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে শহরের শাহীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ধানের শীষের পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটারদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। জেলা যুবদলের সহসভাপতি রবিউল আল সরকার রব্বুর সভাপতিত্বে সভায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক ও সদস্য সচিব এএইচএম সাইফুল্লাহ রুবেল বক্তব্য দেন। পথসভা সঞ্চালনা করেন পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক লুৎফুল আলম চৌধুরী শুভ। স্থানীয় নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমীর এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, “জামায়াত সংখ্যাগুরু সংখ্যালঘুতে বিশ্বাস করে না, আমরা ১৮ কোটি জনগোষ্ঠীকে নিয়ে আগামীর দেশ গড়তে চাই। কোন দল বা ব্যক্তি জান্নাতের টিকিট বিক্রি করতে পারবে না, অথচ বিরোধীপক্ষ জনগনকে বিভ্রান্ত করছে।” সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নীলফামারী কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে নীলফামারী-০৪ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মুত্তাকিমের সমর্থনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন। আজহারুল ইসলাম বলেন, “ক্ষমতায় এলে সবার আগে দুর্নীতি বন্ধ করা হবে। দেশের অর্ধেক কাজ তখনই হবে। ১৭ বছর পালিয়ে থাকা কোনো নেতা জনগনের বন্ধু নয়।” তিনি আরও বলেন, “জামায়াত ফ্যামিলি কার্ড বা জান্নাতের টিকিট বিক্রি করে না, আমরা দেশে ইনসাফ কায়েম করতে চাই।” জনসভায় উপস্থিত ছিলেন জামায়াত ও জোটের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ভিপি আবু সাদিক কায়েম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদসহ স্থানীয় নেতারা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, “যুবকরা ইনসাফের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে দাড়িপাল্লাকে বিজয়ী করতে হবে। দুর্নীতিমুক্ত ও ফ্যাসিবাদ রোধের জন্য জনগণ ভুল সিদ্ধান্ত নেবেন না।” সমাবেশে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিলের মাধ্যমে যোগ দেন।
কিশোরগঞ্জ থেকে সৈয়দপুর ফেরার পথে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম ও তাঁর সহকর্মীরা হামলার শিকার হয়েছেন। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সৈয়দপুরের ইকু হেরিটেজ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন। প্রার্থী জানান, তাঁর গাড়িবহরে ৪০–৫০ জন যুবক হামলা চালিয়ে একটি গাড়ি ভাঙচুর করেছেন এবং জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের মারধর করেছেন। এতে ১০–১২ জন আহত হয়েছেন। হামলার সময় প্রার্থীর লাইসেন্সধারী গানম্যানও আক্রান্ত হয়েছেন। সিদ্দিকুল আলম লিখিত বক্তব্যে জানান, এলাকার বাসিন্দাদের সহায়তায় তারা পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পান। হামলার ঘটনায় রোববার রাতেই কিশোরগঞ্জ থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার বলেন, “আমাদের কেউ হামলার সঙ্গে জড়িত নয়। এটি অপপ্রচার।”