শিরোনাম
নারীবান্ধব অবকাঠামো ও গৃহস্থালি শ্রমের স্বীকৃতির দাবিতে বরিশালে সমাবেশ
নারীবান্ধব অবকাঠামো ও গৃহস্থালি শ্রমের স্বীকৃতির দাবিতে বরিশালে সমাবেশ

নারীদের জন্য জেলা পর্যায়ে ডে কেয়ার সেন্টার, পাবলিক টয়লেট, কর্মজীবী নারী হোস্টেল ও মা-শিশু হাসপাতাল নির্মাণে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ এবং গৃহস্থালি কাজের আর্থিক মূল্য নির্ধারণ ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে বরিশালে সমাবেশ করেছে সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ১১টায় বরিশাল অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি মাফিয়া বেগম।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাজেট শুধু অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নয়, এর মাধ্যমে সরকারের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিও প্রতিফলিত হয়। দেশের মোট জনসংখ্যার ৫১ শতাংশ নারী হলেও জাতীয় অর্থনীতি ও সমাজে তাদের অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়িত হয় না। গৃহস্থালি ও পরিচর্যা খাতে নারীদের অবৈতনিক শ্রম দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখলেও তা এখনও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির বাইরে রয়েছে।

বক্তারা দাবি করেন, পরিবার পরিচালনা ও সন্তান লালন-পালনের দায়িত্বের কারণে অনেক নারী কর্মক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছেন। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডে কেয়ার সেন্টার, নিরাপদ গণপরিবহন, কর্মজীবী নারী হোস্টেল ও স্বাস্থ্যসম্মত পাবলিক টয়লেট স্থাপন জরুরি। একইসঙ্গে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে জেলা পর্যায়ে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের দাবিও জানান তারা।

সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বরিশাল জেলা শাখার সমন্বয়ক ও সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের নেতা ইমাম হোসেন খোকনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।

বক্তারা নারীর সমঅধিকার নিশ্চিত করতে এবং নারীবান্ধব রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো গড়ে তুলতে আগামী বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখার দাবি জানান।

“আপনারা যা দেখলেন, আমিও তাই দেখলাম”: প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান
“আপনারা যা দেখলেন, আমিও তাই দেখলাম”: প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান

বরিশালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে সরকারি দপ্তরে কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান। তিনি বলেন, “আপনারা যা দেখলেন, আমিও তাই দেখলাম। এ ধরনের অভিযান চলবে।”

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পূর্বঘোষণা ছাড়াই বরিশালের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে তিনি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ বরিশাল দপ্তরে যান।

পরিদর্শনের সময় দপ্তরে কোনো কর্মকর্তাকে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। তবে কয়েকজন কর্মচারী দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করে উপস্থিতি ও দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

দপ্তরের বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে দেখে উপস্থিতি সংক্রান্ত তথ্য নথিভুক্ত করেন তিনি। এসময় সরকারি সেবায় শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরে সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি দপ্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন নিয়মিত চালানো হবে।  

পরিদর্শন শেষে তিনি স্পিডবোটযোগে মেহেন্দীগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন।