শিরোনাম
শিল্পপতি আব্দুল কাদির মোল্লার কাজ বন্ধ
শিল্পপতি আব্দুল কাদির মোল্লার কাজ বন্ধ

নরসিংদী পৌরসভার ফুটপাত দখলের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। ফুটপাত দখলের সংবাদ প্রকাশের  পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে শিল্পপতি আব্দুল কাদির মোল্লার নির্মাণস্থলের টিনের বেড়া অপসারণ করে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

পৌর প্রশাসক ও নরসিংদী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোছা. নাদিরা আখতার জানান, নরসিংদী পৌর এলাকার ডিসি রোডে স্টেডিয়ামের উত্তর পাশে পৌরসভার গাইড ওয়াল ভেঙে এবং ফুটপাতের পাথরের টালি তুলে অবৈধভাবে দখলের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ফুটপাত ও অবকাঠামোর ক্ষতিপূরণ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে আদায় করা হবে। পাশাপাশি এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় জরিমানাও  আদায় করা হবে। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে তাকে লিখিত ভাবে নোটিশও দেয়া হয়েছে।

দখলের পর বিষয়টি নিয়ে গত দুই দিন ধরে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। 

এর মধ্যে ঘটনাটি নিয়ে বরাবরের মত মোল্লার কথিত পালিত পুত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটিকে "এআই জেনারেটেড" বলে দাবি করে পোস্ট দেন। পরে ক্ষিপ্ত হয়ে সাধারণ মানুষ বিষয়টি প্রশানের নজরে আনার চেষ্টা করেন।

এরপরই অভিযানে নামে পৌর কর্তৃপক্ষ। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পৌর কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে অভিযান চালিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়।

সৈয়দপুরে রেলওয়ে কোয়ার্টার দখল ও অনিয়মের অভিযোগ
সৈয়দপুরে রেলওয়ে কোয়ার্টার দখল ও অনিয়মের অভিযোগ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে বাংলাদেশ রেলওয়ের বহু কোয়ার্টার দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ-দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, রেলওয়ের কিছু পরিত্যক্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত (ড্যামেজ) কোয়ার্টার অবৈধভাবে দখল, ক্রয়-বিক্রয় ও হাতবদল করা হয়েছে। এর ফলে প্রকৃত রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আবাসন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, সৈয়দপুরের আতিয়ার কলোনী, রসুলপুর, ইসলামবাগ, গোলাহাট, মুন্সিপাড়া, মিস্ত্রিপাড়া, সাহেবপাড়া এবং রেলওয়ে হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য রেলওয়ে কোয়ার্টার বর্তমানে অবৈধভাবে দখল হয়ে আছে।

তাদের অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে এসব কোয়ার্টার অবৈধভাবে হাতবদল হয়েছে। এতে সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার ব্যাহত হচ্ছে এবং রেলওয়ে সম্ভাব্য রাজস্ব থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।

সচেতন মহল দ্রুত দখলকৃত কোয়ার্টারগুলো উদ্ধার করে প্রকৃত রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানানো হয়েছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে নাম উল্লেখ হওয়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।