শিরোনাম
সৈয়দপুরে গাছে গাছে কাঁঠাল, বাম্পার ফলনের আশা
সৈয়দপুরে গাছে গাছে কাঁঠাল, বাম্পার ফলনের আশা

নীলফামারীর সৈয়দপুরে গাছে গাছে ঝুলছে জাতীয় ফল কাঁঠাল। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বাড়ির আঙিনা, রাস্তার ধারে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চত্বর ও গ্রামীণ জনপদজুড়ে কাঁঠাল গাছে প্রচুর ফল ধরেছে। ফলে এ বছর বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষক ও বাগান মালিকরা।

ইতোমধ্যে আগাম জাতের কিছু কাঁঠাল পাকতে শুরু করেছে। বাজারেও উঠতে শুরু করেছে মৌসুমের প্রথম দিকের কাঁঠাল। পাকা কাঁঠালের সুবাসে মুখর হয়ে উঠেছে গ্রামীণ পরিবেশ।

উপজেলার কামারপুকুর, কাশিরাম বেলপুকুর, খাতামধুপুর, বোতলাগাড়ী ও বাঙালিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অনেক গাছে ১০০ থেকে ২০০টি পর্যন্ত কাঁঠাল ধরেছে বলে স্থানীয়রা জানান।

কৃষকদের মতে, কাঁঠাল চাষে তেমন পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। প্রাকৃতিকভাবেই গাছ বেড়ে ওঠে এবং প্রতি বছর ফলন দেয়। ফলে অনেক পরিবার মৌসুমে কাঁঠাল বিক্রি করে বাড়তি আয় করে থাকে। পাশাপাশি শ্রমিক ও পাইকারদেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

তবে উৎপাদন বেশি হলে দাম কমে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছেন চাষিরা। এছাড়া এলাকায় কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থা না থাকায় অনেক সময় কৃষকরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হন।

সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভূষণ বলেন, উপজেলার মাটি কাঁঠাল চাষের জন্য উপযোগী। এ বছরও গাছে গাছে প্রচুর কাঁঠাল দেখা যাচ্ছে। কাঁঠাল শুধু ফল হিসেবেই নয়, এর বিচি ও পশুখাদ্য হিসেবেও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সুযোগ বাড়ানো গেলে কাঁঠাল স্থানীয় অর্থনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

ফকিরহাটে তালের বাম্পার ফলন
ফকিরহাটে তালের বাম্পার ফলন

বর্ষা মৌসুমে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলাজুড়ে এবার তালের বাম্পার ফলন হয়েছে। রাস্তার ধারে, খেতের আইলে ও বসতভিটার তালগাছগুলো ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে। এতে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ফকিরহাটে ১০ হাজার ৫০৪টি ফলন্ত তালগাছ থেকে এ বছর প্রায় ১১ লাখ তাল উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষক পর্যায়ে প্রতি পিস তাল গড়ে ১ টাকা দরে বিক্রি হওয়ায় গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকার সংযোজন হবে।

স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ট্রাকভর্তি তাল ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে। কৃষকরা জানান, কম খরচে ও স্বাভাবিকভাবে ফলন হওয়ায় তাল চাষ ও সংরক্ষণে আগ্রহ বাড়ছে।

উপজেলা কৃষিবিদ শেখ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, তাল পুষ্টিকর ফল হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই তালগাছ সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে কৃষি বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।

ফকিরহাটে তালের বাম্পার ফলন
ফকিরহাটে তালের বাম্পার ফলন

বর্ষা মৌসুমে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলাজুড়ে এবার তালের বাম্পার ফলন হয়েছে। রাস্তার ধারে, খেতের আইলে ও বসতভিটার তালগাছগুলো ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে। এতে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ফকিরহাটে ১০ হাজার ৫০৪টি ফলন্ত তালগাছ থেকে এ বছর প্রায় ১১ লাখ তাল উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষক পর্যায়ে প্রতি পিস তাল গড়ে ১ টাকা দরে বিক্রি হওয়ায় গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকার সংযোজন হবে।

স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ট্রাকভর্তি তাল ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে। কৃষকরা জানান, কম খরচে ও স্বাভাবিকভাবে ফলন হওয়ায় তাল চাষ ও সংরক্ষণে আগ্রহ বাড়ছে।

উপজেলা কৃষিবিদ শেখ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, তাল পুষ্টিকর ফল হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই তালগাছ সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে কৃষি বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।