শিরোনাম
কৃষকদের দক্ষতা ও আয় বাড়াতে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস
কৃষকদের দক্ষতা ও আয় বাড়াতে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় কৃষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, পুষ্টি উন্নয়ন এবং কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)’ প্রকল্পের আওতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মশিউর রহমান খান। সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন, পার্টনার প্রকল্পের খুলনা অঞ্চলের মনিটরিং কর্মকর্তা মো. মোদাস্সেক হোসেন, ফকিরহাটের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শরীফ নেওয়াজ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফকিরহাট উপজেলা শাখার আমির মাওলানা এবিএম তৈয়বুর রহমান এবং সেক্রেটারি আবুল আলা মাসুম।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ সাখাওয়াত হোসেন। সঞ্চালনা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. তোহিদুল ইসলাম। এতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

আলোচনায় কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, জলবায়ু সহনশীল কৃষি চর্চা, কৃষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে পার্টনার প্রকল্পের আওতায় ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস একটি কার্যকর উদ্যোগ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মো. মশিউর রহমান খান বলেন, কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এসব উদ্যোগ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। আধুনিক ও মানসম্মত কৃষি ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদনশীলতা ও আয় বৃদ্ধি নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

সৈয়দপুরে গাছে গাছে কাঁঠাল, বাম্পার ফলনের আশা
সৈয়দপুরে গাছে গাছে কাঁঠাল, বাম্পার ফলনের আশা

নীলফামারীর সৈয়দপুরে গাছে গাছে ঝুলছে জাতীয় ফল কাঁঠাল। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বাড়ির আঙিনা, রাস্তার ধারে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চত্বর ও গ্রামীণ জনপদজুড়ে কাঁঠাল গাছে প্রচুর ফল ধরেছে। ফলে এ বছর বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষক ও বাগান মালিকরা।

ইতোমধ্যে আগাম জাতের কিছু কাঁঠাল পাকতে শুরু করেছে। বাজারেও উঠতে শুরু করেছে মৌসুমের প্রথম দিকের কাঁঠাল। পাকা কাঁঠালের সুবাসে মুখর হয়ে উঠেছে গ্রামীণ পরিবেশ।

উপজেলার কামারপুকুর, কাশিরাম বেলপুকুর, খাতামধুপুর, বোতলাগাড়ী ও বাঙালিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অনেক গাছে ১০০ থেকে ২০০টি পর্যন্ত কাঁঠাল ধরেছে বলে স্থানীয়রা জানান।

কৃষকদের মতে, কাঁঠাল চাষে তেমন পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। প্রাকৃতিকভাবেই গাছ বেড়ে ওঠে এবং প্রতি বছর ফলন দেয়। ফলে অনেক পরিবার মৌসুমে কাঁঠাল বিক্রি করে বাড়তি আয় করে থাকে। পাশাপাশি শ্রমিক ও পাইকারদেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

তবে উৎপাদন বেশি হলে দাম কমে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছেন চাষিরা। এছাড়া এলাকায় কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থা না থাকায় অনেক সময় কৃষকরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হন।

সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভূষণ বলেন, উপজেলার মাটি কাঁঠাল চাষের জন্য উপযোগী। এ বছরও গাছে গাছে প্রচুর কাঁঠাল দেখা যাচ্ছে। কাঁঠাল শুধু ফল হিসেবেই নয়, এর বিচি ও পশুখাদ্য হিসেবেও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সুযোগ বাড়ানো গেলে কাঁঠাল স্থানীয় অর্থনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।