শিরোনাম

প্যারোলে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ

প্যারোলে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ

নীলফামারী সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজা ও দাফনে অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় নীলফামারী সার্কিট হাউজ কবরস্থানে মায়ের দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে পুনরায় কারাগারে নেওয়া হয়।

শাহিদ মাহমুদ নিষিদ্ধ ঘোষিত জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে দায়ের হওয়া দুটি হত্যা মামলাসহ মোট পাঁচটি মামলার আসামি হিসেবে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। পরে ২০২৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রংপুর নগরীর একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।

শাহিদ মাহমুদের মা রওশন আরা বেগম (৯০) সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে রংপুরের একটি হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার বাদ জোহর নীলফামারী ডাকবাংলা ঈদগাহ মাঠে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে সার্কিট হাউজ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে উপস্থিত হন শাহিদ মাহমুদ। এ সময় তিনি মায়ের স্মৃতিচারণ করে সংক্ষিপ্ত আবেগঘন বক্তব্য দেন।

জানাজায় বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

মরহুমা রওশন আরা বেগম জেলা শহরের থানাপাড়া এলাকার মরহুম আজিম উদ্দিন আহমেদের স্ত্রী। মৃত্যুকালে তিনি পাঁচ ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তার সন্তানদের মধ্যে প্রয়াত রবিউল আলম চিকিৎসক ছিলেন। দ্বিতীয় ছেলে রেজাউল আলম একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও রংপুরের একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক। তৃতীয় ছেলে ড. রুস্তম আহমেদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। চতুর্থ ছেলে শাহিদ মাহমুদ রাজনীতির পাশাপাশি একটি হিমাগারের চেয়ারম্যান। ছোট ছেলে তারিক মাহমুদ ঢাকার একটি বিদ্যুৎ কোম্পানির কর্মকর্তা। দুই মেয়ের মধ্যে লায়লা আরজু মান্দ বানু নীলফামারী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এবং খালেদা বেগম খুলনার একটি বেসরকারি কলেজের সাবেক শিক্ষক।

আপনার মতামত লিখুন
সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর