পঞ্চগড় শহরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়কের পাশে বালু-পাথর স্তূপ করে রাখা এবং রাস্তার ওপর ট্রাক দাঁড় করিয়ে সেগুলো লোড-আনলোড করার অভিযোগ উঠেছে। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি ধুলাবালি ও সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ।
স্থানীয়দের ভাষ্য, জেলার বিভিন্ন সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বালু-পাথর ফেলে রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে ট্রাক, ট্রলি ও অন্যান্য যানবাহনে এসব নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় সড়কের ওপর বালু-পাথর পড়ে থাকছে। এতে ধুলাবালি ছড়িয়ে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার পাশাপাশি পথচারী ও যানবাহন চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।
অভিযোগের বিষয়ে পঞ্চগড় জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের বক্তব্য জানতে সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল গফুরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সরাসরি কোনো বক্তব্য না দিয়ে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করার পরামর্শ দেন।
জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়টিতে দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে চাওয়া হলেও তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক অবস্থান ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বক্তব্য জানার জন্যই কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সড়কের পাশে বালু-পাথর স্তূপ করে রাখা এবং রাস্তার ওপর লোড-আনলোডের কারণে ধুলাবালি ও যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় পরিচালক নূর আলম বলেন, “তিনি চাইলে সরাসরি এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে পারতেন। আমরা বিভিন্ন সময় মোবাইল কোর্টসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করি। তাহলে বক্তব্য দেওয়ার জন্য কেন তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে, বিষয়টি আমার বোধগম্য হচ্ছে না। আমি তাকে বিষয়টি বলে দিচ্ছি।”
স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পরবর্তী সময়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।