চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ঠাকুরগাঁও জেলায় ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।
জেলা শিক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শূন্য পাসের তালিকায় রয়েছে সদর উপজেলার দুটি, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার তিনটি, পীরগঞ্জ উপজেলার একটি এবং রাণীশংকৈল উপজেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
উপজেলাভিত্তিক শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান ও পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হলো—
ঠাকুরগাঁও সদর: সালন্দর মহিলা কলেজে ৭ জন এবং কদমরসুল হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁদের কেউই পাস করেননি।
বালিয়াডাঙ্গী: হরিণমারী স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১২ জন, মোড়লহাট জনতা স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১ জন এবং রত্নাই বগুলাবাড়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তিন প্রতিষ্ঠানের কেউই উত্তীর্ণ হননি।
পীরগঞ্জ: একটিয়াপুর শহীদ সালাউদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কেউ পাস করেননি।
রাণীশংকৈল: ধুলঝাড়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গোগড় কলেজ এবং রাউতনগর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২ জন করে পরীক্ষায় অংশ নেন। তিন প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করেননি।
এবার ঠাকুরগাঁও জেলায় সার্বিক পাসের হার ৪৫ দশমিক ০৩ শতাংশ। মোট ৯ হাজার ৮৫৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪ হাজার ৪৩৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৭৮ জন।
এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহিন আখতার বলেন, শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্ত নয়। এগুলো মূলত কাগজে-কলমে টিকে রয়েছে। ফল বিপর্যয়ের কারণ উল্লেখ করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) লিখিত প্রতিবেদন পাঠানো হবে।
জেলা প্রশাসক রফিকুল হক বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলো নন-এমপিওভুক্ত। তবে কী কারণে এমন ফল হয়েছে, তা নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করা হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।