শিরোনাম

জুলাই আন্দোলনে হাসনাত-সারজিসের বিরুদ্ধে রাশেদ খাঁনের গুরুতর অভিযোগ

জুলাই আন্দোলনে হাসনাত-সারজিসের বিরুদ্ধে রাশেদ খাঁনের গুরুতর অভিযোগ
ফাইল ছবি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন। তাঁর দাবি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন পর্যায়ে এই দুই নেতার ‘গাদ্দারি’ খুঁজে পাওয়া যাবে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব অভিযোগ করেন তিনি।

পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে আবু সাঈদ ও ওয়াসিম আকরামসহ ছয় শহীদের স্মরণে আয়োজিত গায়েবানা জানাজা ও কর্মসূচিতে নারী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রিফাত রশিদ একটি প্রতিবাদলিপি তৈরি করেন। সেটি পর্যালোচনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল হাসনাত আবদুল্লাহকে।

রাশেদ খাঁনের অভিযোগ, ওই প্রতিবাদলিপির শেষাংশে গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের পরামর্শে ‘আলোচনার দরজা খোলা আছে’ বাক্যটি যুক্ত করেন হাসনাত। সমন্বয়কদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই তিনি সেটি ফেসবুকে প্রকাশ করেন বলেও দাবি করেন রাশেদ। এ নিয়ে সমন্বয়কদের মধ্যে বিরোধের একপর্যায়ে হাসনাত ডিজিএফআইয়ের পরামর্শে বাক্যটি যুক্ত করার কথা স্বীকার করেছিলেন বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।

পোস্টে আরও দাবি করা হয়, ১০ জুলাই কোটা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পর তিন দিনের আলটিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেওয়ার লক্ষ্যে তৎকালীন সহকারী প্রক্টর ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহিমের সঙ্গে বসে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম একটি প্রেস নোট তৈরি করেছিলেন। রাশেদ খাঁনের ভাষ্য অনুযায়ী, শাহবাগে অন্যান্য সমন্বয়ক এতে সম্মতি না দেওয়ায় আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

রাশেদ খাঁন তাঁর পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহর সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ৬১ দিন গুম থাকার পর দীর্ঘদিন নির্বাসিত জীবন কাটানো বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদকে শুধু ‘সালাহউদ্দিন’ বলে সম্বোধন করা এবং তাঁকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করার মধ্য দিয়ে হাসনাত নিজের আক্রোশ প্রকাশ করেছেন।

 

 

 

আপনার মতামত লিখুন
সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর