আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামালপুর সদর উপজেলায় সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ আলোচনায় রয়েছেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সফিউর রহমান শফি। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, দলীয় সাংগঠনিক ভূমিকা ও সামাজিক কার্যক্রমের কারণে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা রয়েছে।
সাম্প্রতিক দলীয় কর্মসূচিগুলোতেও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে সফিউর রহমান শফির উপস্থিতি ও নেতৃত্বের বিষয়টি উঠে এসেছে।
দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন সময়ে মামলা, গ্রেপ্তার ও হয়রানির মুখে পড়লেও সফিউর রহমান সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন। তাঁদের দাবি, দলের দুর্দিনে নেতাকর্মীদের পাশে থাকা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় থাকার কারণে তৃণমূলে তাঁর একটি ভিত্তি তৈরি হয়েছে। এসব দাবির স্বতন্ত্র যাচাই অবশ্য এই প্রতিবেদনে করা হয়নি।
সফিউর রহমানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও সম্পৃক্ততার কথা স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। তিনি জামালপুর জেলা স্কাউটসের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর সমর্থকেরা বলছেন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা তাঁর সম্ভাব্য প্রার্থিতাকে আলোচনায় এনেছে। তবে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি দলীয় সিদ্ধান্ত ও সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে সফিউর রহমান বলেন, দল তাঁকে মূল্যায়ন করলে এবং জনগণের সমর্থন পেলে তিনি জামালপুর সদর উপজেলার উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করতে চান। নির্বাচিত হলে সড়ক যোগাযোগ, গ্রামীণ অবকাঠামো, কৃষি, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবাকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি। পাশাপাশি উপজেলা পরিষদে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এর আগে ২০২৬ সালের মার্চে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তাঁর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়। সেখানে সফিউর রহমান নিজেও দলীয় মূল্যায়ন ও সমর্থন পেলে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন।
জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে বর্তমানে ১৫টি ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার বিষয়টিও বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচিতে উঠে এসেছে।
তবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী কে হবেন, তা সংশ্লিষ্ট দলীয় সিদ্ধান্ত ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।